📖 আমাদের প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানুন
Tea Aroma BD
✨ Who we are
আমরা প্রত্যন্ত অঞ্চলের খাঁটি পণ্য সরাসরি উৎস থেকে সংগ্রহ করে আপনার ঘরে পৌঁছে দিই।
🛍️ আমাদের পণ্য
⭐ Premium Tea Gold 1kg(Packet)
এর প্রধান উপাদান হলো উন্নত প্রক্রিয়াজাতকরণ (GBOP গ্রেড) করা ১০০% খাঁটি কালো চা পাতা। এতে কোনো কৃত্রিম রঙ বা গন্ধ থাকে না।
টি গোল্ড চায়ের প্রধান স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো নিচে দেওয়া ১.হলো:অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস: টি গোল্ড চা পলিফেনল এবং ক্যাটেচিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, যা শরীরকে ক্ষতিকর ফ্রি র্যাডিক্যাল থেকে রক্ষা করে এবং বার্ধক্য রোধে সাহায্য করে।
২.হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা: এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে, রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের (LDL) মাত্রা কমাতে এবং ভালো কোলেস্টেরলের (HDL) মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
৩.মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি: এতে ক্যাফেইন ও এল-থিয়ানিন (L-theanine) এর চমৎকার ভারসাম্য রয়েছে, যা মানসিক সতর্কতা বাড়ায়, মনোযোগ বৃদ্ধি করে এবং ক্লান্তিভাব দূর করে।
৪.ওজন নিয়ন্ত্রণ ও হজম: এটি হজম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং মেটাবলিজম বাড়িয়ে শরীরের অতিরিক্ত ক্যালোরি ও ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।
৫.মানসিক প্রশান্তি: ক্যাফেইনের কারণে চা আপনাকে কর্মঠ রাখলেও, এতে থাকা এল-থিয়ানিন মানসিক চাপ ও উদ্বেগকে প্রশমিত করে।
টি গোল্ড চা পাতা দিয়ে পারফেক্ট চা তৈরির জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন:১. একটি পাত্রে পরিমাণমতো পানি নিয়ে চুলায় ফোটান।২. পানি ফুটলে প্রতি কাপের জন্য ১ চা চামচ টি গোল্ড চা পাতা দিন।৩. চা পাতা দেওয়ার পর ২-৩ মিনিট ভালোভাবে ফোটান যাতে পাতা থেকে আসল ঘ্রাণ বের হয়।৪. এরপর পছন্দমতো পরিমাণ দুধ ও চিনি যোগ করে আরও ২-৩ মিনিট ফোটান।৫. সবশেষে চা ছেঁকে গরম গরম পরিবেশন করুন।
⭐ Premium Tea Gold 500gm (Jar)
ব্ল্যাক টি চায়ের মূল উপাদান হলো ক্যামেলিয়া সাইনেনসিস (Camellia sinensis) নামক চা গাছের পাতা। এই পাতাগুলোকে সম্পূর্ণ জারিত বা অক্সিডাইজড করার মাধ্যমে ব্ল্যাক টি তৈরি করা হয়।
নিয়মিত এবং সঠিক নিয়মে ব্ল্যাক টি বা লিকার চা পানের অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। নিচে এর প্রধান উপকারিতাগুলো আলোচনা করা হলো:১. হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখেকোলেস্টেরল কমায়: এটি শরীরের ক্ষতিকর LDL কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: ব্ল্যাক টি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রাখে।ফ্ল্যাভানয়েড: এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।
সকাল ও বিকেলের ক্লান্তি দূর করতে: এক কাপ গরম লিকার চা ক্লান্তি দূর করে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়।ভেষজ চা তৈরিতে: ব্ল্যাক টির সাথে আদা, এলাচ, লবঙ্গ বা তুলসি পাতা মিশিয়ে সর্দি-কাশির উপশমকারী চা তৈরি করা যায়।লেবু ও মধু চা: চায়ের স্বাদ বাড়াতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে চিনি ছাড়া লেবু ও মধু মিশিয়ে পান করা হয়।
BTRI GREEN TEA 100gm
বিটিআরআই গ্রীন টি (BTRI Green Tea) হলো বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (Bangladesh Tea Research Institute - BTRI) কর্তৃক উদ্ভাবিত বা অনুমোদিত একটি প্রিমিয়াম মানের স্বাস্থ্যকর গ্রীন টি। শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত এই স্বনামধন্য গবেষণাকেন্দ্রটি দেশের চা শিল্পের উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে।
বিটিআরআই গ্রীন টি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলি:
উৎসের বিশুদ্ধতা: এটি বাংলাদেশের চা পাতার রাজধানীখ্যাত শ্রীমঙ্গলের সেরা ও খাঁটি চা পাতা থেকে প্রক্রিয়াজাত করা হয়।
প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: এতে কোনো কৃত্রিম রং বা ক্ষতিকর রাসায়নিক না থাকায় প্রাকৃতিক পলিফেনল ও ক্যাটেচিন ভরপুর থাকে, যা শরীরকে সতেজ রাখে।
উচ্চ মানসম্পন্ন (রিসার্চ বেড): বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ও মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এটি তৈরি হওয়ায় এর গুণগত মান অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য।
প্রধান উপকারিতা:
ওজন ও মেদ নিয়ন্ত্রণ: এটি শরীরের মেটাবলিজম বাড়িয়ে চর্বি ও অতিরিক্ত ওজন কমাতে দারুণ সাহায্য করে।
হৃদপিণ্ড ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: নিয়মিত এই চা পান করলে শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়।
ক্লান্তি দূরীকরণ: কাজের ফাঁকে এক কাপ বিটিআরআই গ্রীন টি মুহূর্তেই মানসিক ক্লান্তি দূর করে এবং মনকে সতেজ করে তোলে।
ত্বক ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায়: এটি শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দিয়ে ত্বক উজ্জ্বল রাখতে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
Gren Tea 250gm
গ্রীন টি (Green Tea) বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় ও স্বাস্থ্যকর একটি পানীয়। এর নিয়মিত রয়েছে নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক উপকারিতা। নিচে গ্রীন টি-এর প্রধান উপকারিতাগুলো তুলে ধরা হলো:
ওজন কমাতে ও মেদ ঝরাতে: গ্রীন টি-এ থাকা ক্যাটেচিন (Catechins) এবং ক্যাফেইন শরীরের বিপাকক্রিয়া বা মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়, যা দ্রুত চর্বি পোড়াতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে দারুণ সাহায্য করে।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর: এতে প্রচুর পরিমাণে পলিফেনল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শরীরের কোষগুলোকে ফ্রি র্যাডিক্যালের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে এবং বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: এর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ভাইরাল উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে, ফলে সর্দি-কাশি বা ইনফেকশনের ঝুঁকি কমে।
হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখে: গ্রীন টি নিয়মিত পান করলে শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল (LDL) এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমতে সাহায্য করে, যা হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।
রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে: এটি ইনসুলিনের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে, যা টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়: এতে থাকা ক্যাফেইন ও এল-থিয়ানিন (L-theanine) মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা উন্নত করে, মানসিক ক্লান্তি দূর করে এবং মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে।
ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়: ত্বকের ফ্রি র্যাডিকাল দূর করে তারুণ্য বজায় রাখতে এবং ব্রণের সমস্যা কমাতে গ্রীন টি অত্যন্ত উপকারী।
গ্রীন টি (Green Tea) কেবল একটি স্বাস্থ্যকর পানীয়ই নয়, এর বহুমুখী ব্যবহার আমাদের দৈনন্দিন জীবন ও রূপচর্চায় অত্যন্ত জনপ্রিয়। নিচে গ্রীন টি-এর প্রধান ব্যবহারগুলো তুলে ধরা হলো:
ওজন নিয়ন্ত্রণ ও ফিটনেস বাড়াতে: প্রতিদিন সকালে বা ভারী খাবারের ফাঁকে গ্রীন টি পান করার মাধ্যমে শরীরের মেটাবলিজম বাড়িয়ে ওজন ও মেদ নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়।
সকালের এনার্জি ড্রিংক হিসেবে: কফি বা দুধ চায়ের স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে অনেকেই সকালে বা কাজের ফাঁকে সতেজতা আনতে গ্রীন টি পান করেন।
ত্বকের উজ্জ্বলতা ও তারুণ্য ধরে রাখতে: ব্যবহৃত গ্রীন টি-এর লিকার বা ঠান্ডা ব্যাগ ত্বকে টোনার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যা ত্বকের তেলতেলে ভাব দূর করে এবং সতেজ রাখে।
চোখের ফোলাভাব ও ডার্ক সার্কেল দূর করতে: ব্যবহৃত গ্রীন টি ব্যাগ ঠান্ডা করে চোখের ওপর ১০-১৫ মিনিট দিয়ে রাখলে চোখের ক্লান্তি, ফোলাভাব এবং নিচের কালো দাগ অনেকটাই কমে যায়।
মুখের দুর্গন্ধ ও দাঁতের সুরক্ষায়: গ্রীন টি-এ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকায় এটি মাউথওয়াশ হিসেবে ব্যবহার করলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁতের ক্যাভিটি রোধ হয়।
চুলের যত্নে: গ্রীন টি ফুটিয়ে ঠান্ডা করে তা দিয়ে চুল ধুলে চুলের গোড়া শক্ত হয়, খুশকির সমস্যা কমে এবং চুলে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আসে।
Masala Tea 500gm
মাসালা টি (Masala Tea) তৈরি করতে সাধারণত যেসকল উপাদান প্রয়োজন হয়, তা নিচে তালিকাভুক্ত করা হলো:
প্রধান উপকরণ:
চা পাতা: ২ চা চামচ (ভালো মানের ব্ল্যাক টি বা লিকার চা পাতা)
তরল দুধ: ১ কাপ
পানি: ১ কাপ
চিনি বা গুড়: স্বাদমতো
মাসালা বা মসলার মিশ্রণ:
আদা: ১/২ ইঞ্চি টুকরো (থেঁতো করা)
ছোট এলাচ: ২-৩টি (মুখ একটু ফাটিয়ে নেওয়া)
দারুচিনি: ১টি ছোট টুকরো
লবঙ্গ: ১-২টি
গোলমরিচ: ২-৩টি (ঐচ্ছিক, ঝাঁঝালো ভাব ও ঠাণ্ডা দূর করার জন্য)
মসলা চায়ের বিশেষ স্বাস্থ্য উপকারিতা:
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: আদা, লবঙ্গ ও এলাচে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।
হজমশক্তি উন্নত করে: ভারী খাবার খাওয়ার পর মসলা চা পান করলে হজম প্রক্রিয়া দ্রুত হয় এবং পেট ফাঁপা বা গ্যাসের সমস্যা দূর হয়।
সর্দি-কাশি ও গলা ব্যথা দূর করে: ঠাণ্ডা লাগা, সর্দি, কাশি কিংবা গলা ব্যথায় আদা ও লবঙ্গ দেওয়া গরম মসলা চা প্রাকৃতিক ওষুধের মতো কাজ করে।
ক্লান্তি দূর করে ও এনার্জি দেয়: এর জাদুকরী সুবাস ও ক্যাফেইনের উপস্থিতি মুহূর্তেই শারীরিক ক্লান্তি দূর করে এবং মনকে চাঙ্গা করে তোলে।
দৈনন্দিন জীবনে এবং বিভিন্ন বিশেষ মুহূর্তে মাসালা টি (Masala Tea) অত্যন্ত বহুমুখীভাবে ব্যবহার করা হয়। নিচে এর প্রধান ব্যবহারগুলো তুলে ধরা হলো:
ক্লান্তি দূর করতে ও চাঙ্গা হতে: কর্মব্যস্ত দিনের শেষে কিংবা কাজের ফাঁকে এক কাপ গরম মসলা চা মুহূর্তেই শারীরিক ক্লান্তি দূর করে এবং মনকে সতেজ ও প্রাণবন্ত করে তোলে।
অতিথি আপ্যায়নে: বাসায় অতিথি এলে কিংবা আড্ডায় ভিন্নধর্মী ও প্রিমিয়াম স্বাদের কিছু পরিবেশন করতে মসলা চা দারুণ একটি পছন্দ।
শীতকালে ও ঠাণ্ডা আবহাওয়াতে: শীতের সকালে বা বৃষ্টির দিনে শরীরের ভেতরের উষ্ণতা বজায় রাখতে এবং আরাম পেতে এটি ব্যাপকভাবে খাওয়া হয়।
সর্দি-কাশি ও ঠাণ্ডা লাগায়: আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা বা নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে আদা-লবঙ্গযুক্ত মসলা চা খুবই কার্যকরী।
ভারী খাবারের পর: দাওয়াতে বা ভারী কোনো খাবার খাওয়ার পর হজমে সাহায্য করার জন্য এবং পেটের অস্বস্তি দূর করতে এটি পান করা হয়।
সকালের এনার্জি ড্রিংক হিসেবে: সকালের নাস্তার সাথে অনেকেই ক্যাফেইনের পুষ্টি ও সুবাসের জন্য ব্ল্যাক টি বা দুধ চায়ের পরিবর্তে মসলা চা বেছে নেন।